
২০২৬ সালের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের মাঠপর্যায়ের দপ্তরগুলোর ভূমিকা অপরিসীম। এই প্রেক্ষাপটে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস তাদের পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা, মানবিক আচরণ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে একটি প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
দীর্ঘদিন ধরেই নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রমে সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে আসছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, সংশোধনী কার্যক্রম, প্রার্থী সংক্রান্ত তথ্য প্রদান, মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও যাচাইসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম অত্যন্ত দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সেবামূলক মনোভাব সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসে আগত সাধারণ ভোটার, প্রার্থী ও প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণ সবসময়ই ভদ্র, সহনশীল ও সহযোগিতামূলক বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। যেকোনো সমস্যায় তারা ধৈর্যসহকারে কথা শোনেন এবং আইন ও বিধিমালার আলোকে যথাযথ সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে নির্বাচন সংক্রান্ত জটিলতা অনেকাংশেই সহজ ও স্বচ্ছভাবে নিষ্পত্তি হচ্ছে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আশরাফুল আলম। তাঁর নম্র, সদাচরণপূর্ণ ও মানবিক ব্যবহার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে আস্থা ও সন্তুষ্টি তৈরি করেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, নির্বাচন কেবল একটি প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়; এটি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এই উপলব্ধি থেকেই তিনি প্রার্থী, প্রার্থীর প্রতিনিধি কিংবা সাধারণ নাগরিক—সবার কথা গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং সমস্যা সমাধানে আন্তরিক থাকেন।
প্রার্থী বা প্রতিনিধিরা কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, জটিলতা কিংবা ব্যক্তিগত সমস্যার কথা তুলে ধরলে তিনি তা অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে বিবেচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তাঁর এই সহানুভূতিশীল ও দায়িত্বশীল মনোভাব নির্বাচনী পরিবেশকে আরও ইতিবাচক ও অংশগ্রহণমূলক করে তুলছে।
এছাড়াও নির্বাচন অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী—ফারুক আহমেদ, মোঃ ইমরান হোসেন, মোঃ শামিম, মোঃ তহফিক, জুয়েল ও রিতনের পেশাদারিত্ব ও মানবিক ভূমিকা নির্বাচন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছে। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস আজ একটি আদর্শ প্রশাসনিক দপ্তর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের দক্ষ, নিরপেক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য হয়। পরিশেষে বলা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসের এই দায়িত্বশীল ও আন্তরিক ভূমিকা আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে—যা নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য ও অনুকরণীয়।
মন্তব্য করুন