
ভোলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদার বাড়ির দরজায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৮টার দিকে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সংঘর্ষে জড়ায় তারা। এতে বিএনপির ৫ জন এবং জামায়াতের ৮ জন নেতাকর্মী আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কাজী মো. আজম অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে বিএনপির সমর্থকদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়ে ভোট চাইতে থাকে। এতে সমর্থকরা প্রতিবাদ জানালে তারা বাড়িঘরে ভাঙচুর চালায়।
অন্যদিকে জামায়াত নেতা মাওলানা হালিম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নির্বাচনী সময়ে সবাই নিজ নিজ প্রচারণা চালাবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিএনপি নিজেরাই হামলা চালিয়ে নিজেদের ঘর ভেঙে নাটক সাজাচ্ছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন কুমার সাহা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন