
জামালপুরের ইসলামপুর পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবির আহমেদ বিপুল মাস্টার। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতা স্থানীয় পর্যায়ে একজন ত্যাগী ও জনবান্ধব সংগঠক হিসেবে পরিচিত।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩২ থেকে ৩৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বিপুল মাস্টার নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথচলা অব্যাহত রেখেছেন। বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হলেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়াননি। বরং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামপুর এলাকায় দলীয় কার্যক্রম সমন্বয় ও সংগঠনের তৃণমূল কর্মীদের সক্রিয় রাখতে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেন। নির্বাচনী প্রস্তুতি, প্রচার-প্রচারণা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেও তিনি ইসলামপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকার বাসিন্দাদের সুখে-দুঃখে, বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অসুস্থতা বা আর্থিক সংকটের সময়ে তিনি পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। পৌর এলাকার অবকাঠামোগত সমস্যা, নাগরিক সেবা ও জনদুর্ভোগ নিয়ে নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন বলেও জানা গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা মনে করেন, পৌরসভার সেবাকে আরও জনমুখী ও কার্যকর করতে হলে অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাদের মতে, বিপুল মাস্টারের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা ইসলামপুর পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আবির আহমেদ বিপুল মাস্টার বলেন, দল ও জনগণ যদি দায়িত্ব দেন, তবে তিনি ইসলামপুর পৌরবাসীর কল্যাণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
ইসলামপুর পৌরসভায় আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন ধীরে ধীরে উত্তাপ বাড়ছে, তখন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিপুল মাস্টারের নাম ঘিরে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এখন দেখার বিষয়, দলীয় মনোনয়ন ও ভোটারদের সমর্থনের সমীকরণ শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়ায়।
মন্তব্য করুন