
নড়াইল সদর উপজেলার শিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রামে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত চারজনের মধ্যে তিনজনের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অপর একজনকে পৃথকভাবে দাফন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নিহত খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ শেখ এবং একই পক্ষের ফেরদৌস হোসেনকে সিঙ্গাশোলপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। অপর নিহত ওসিকুর মিয়াকে তারাপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এর আগে ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে মরদেহগুলো গ্রামে পৌঁছে।
স্বজনদের অভিযোগ, সোমবার ভোরে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। গুরুতর আহত আরেকজন পরে হাসপাতালে মারা যান।
নিহত তাহাজ্জুদ শেখের স্ত্রী সুমী বেগম দাবি করেন, সেহেরির পরপরই ৫০-৫৫ জনের একটি দল তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে তার স্বামী ও শ্বশুরকে কুপিয়ে হত্যা করে। একই ঘটনায় প্রতিবেশী ফেরদৌস হোসেনও নিহত হন। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।
অন্যদিকে, ঘটনার বিষয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে চারজন নিহত হন। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মন্তব্য করুন