
খুলনার কপিলমুনিতে জোরপূর্বক দোকান ঘর দখলের অভিযোগ উঠেছে। মোঃ গোলাম মোস্তফা পিতা- মৃত আবুল তাহের সরদার গ্রাম- হরিঢালী পাইকগাছা খুলনা গত ২৩/০৩/২০১৭ তারিখে ৩০০/- টাকার স্ট্যাম্পের মাধ্যমে শেখ হাবিবুর রহমান পিতা- মৃত শেখ হরমত আলী গ্রাম-কানাইদিয়া তালা সাতক্ষীরা এর নিকট হতে লিখিত নগদ দশ লক্ষ টাকার বিনিময়ে কপিলমুনি বাজারে কাপড়ের পট্টিতে কপিলমুনি মৌজায় জেএল নং ১৭, ১ নং খাস খতিয়ানের ১৭২/১ নং দাগের হাট পেরিফেরী বন্দোবস্ত মিস কেস নং জেলা ১৯৩/২০১২-১৩ ও উপজেলা ১৬০/২০১২-৩ নং ( ১৯.৫০ বর্গ মিটার ) দোকান ঘরটি ক্রয় সূত্রে মেসার্স সরদার বস্ত্রালয় নামে অদ্যাবধি ভোগদখল করে আসছে।
গোলাম মোস্তফার মৃত্যুর পর তার ছেলে তানজীম মুস্তাফিজের নামে সরকারি বিধি মোতাবেক ডিসিআর কর্তন করা হয়। গত ০৫/০৮/২০২৪ তারিখে শেখ হাবিবুর রহমানের ছেলে শেখ লিটন তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দোকান ঘরটি জবরদখল করে। আমি তানজীম মুস্তাফিজ সেনাবাহিনীর কাছে সহায়তা চাইলে উনারা ঘটনাস্থলে গিয়ে শেখ লিটনকে দোকানের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বললে লিটন ব্যর্থ হয় এবং দোকানের চাবি আমাদের কাছে দিয়ে দেয়।

গত ১৪/০৮/২০২৪ তারিখে সার্ভেয়ারকে ভুল বুঝিয়ে শেখ হাবিবুর রহমানের নামে একটি ডিসিআর কাটে। বিষয়টি জানতে পেরে ১৫/০৮/২০২৪ তারিখে অভিযোগ দিলে এসি ল্যান্ড মহোদয় তাৎক্ষণিক শেখ হাবিবুর রহমানের ডিসিআরটি বাতিল করে দেয়। এরপর শেখ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ডিসি মহোদয়ের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করে। ০৫/০৯/২০২৪ তারিখে এডিসি রেভিনিউ উক্ত অভিযোগটি সরেজমিনে তদন্ত করে ২৪/১১/২০২৪ তারিখে আমাদের পক্ষে একটা আদেশ দেন।গত ২২/০২/২০২৬ তারিখে ঘরের তালা ভেঙে ঘরটি জবরদখল করে। আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে উনি ওসি সাহেবকে ফরোয়ার্ড করেন।

গত ২৫/০২/২০২৪ তারিখে ওসি সাহেবের ওখানে উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে আমাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেন । কিন্তু শেখ লিটন গং সেই আদেশ মানি না বলে হুমকি ধামকি দিয়ে চলে আসে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রতি শ্রদ্ধা রেখে জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে সরকার পরিচালনার সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু লিটন গং দের মত দখলবাজ ও লুটেরাদের কারনে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমি এ বিষয়ে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মন্তব্য করুন