
ভাণ্ডারিয়া উপজেলার শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড (কালব) এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভাণ্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসার মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ইউনিয়নের সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিতি ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
নির্বাচনে সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহকারী অধ্যাপক টি এম মনোয়ার হোসেন পলাশ নির্বাচিত হন। একইভাবে সম্পাদক পদে মোঃ আব্দুল আলীম দায়িত্ব লাভ করেন। এছাড়া সহ-সভাপতি পদে কে এম জামাল হায়দার, কোষাধ্যক্ষ পদে মোঃ ইলিয়াস হোসেন এবং সদস্য পদে ফাজানা শারমীন ও মোঃ মামুন খান নির্বাচিত হয়েছেন।
ভোটগ্রহণ শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই গণনা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। নির্বাচন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ মঈনুল হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ—এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সদস্যদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন পলাশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আমাদের ওপর যে আস্থা ও দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। সংগঠনের উন্নয়ন, সদস্যদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো, ইনশা আল্লাহ।”
সম্পাদক মোঃ আব্দুল আলীম বলেন, “ইউনিয়নের কার্যক্রম আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে আমরা পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করবো। সদস্যদের সঞ্চয় ও ঋণ কার্যক্রমে আরও শৃঙ্খলা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা যুক্ত করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”
উল্লেখ্য, শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন (কালব) দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় শিক্ষক ও কর্মচারীদের আর্থিক সহায়তা, সঞ্চয় কার্যক্রম এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং সদস্যদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক সুবিধা আরও সুসংগঠিতভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
নির্বাচন ঘিরে সদস্যদের মধ্যে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। অনেকেই মনে করছেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের স্বার্থরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা আরও জোরদার হবে।
মন্তব্য করুন