
গাজীপুরে ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রিপন দাবি করেছেন, তাকে এবং তার পরিবারকে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে। রিপনের পরিবার জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কিত একটি প্রেম এবং বিয়ে নিয়ে তার শশুরের করা অভিযোগের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।
মোঃ সুলতান মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইফতার চলাকালীন সময়ে পুলিশ রিপনকে গ্রেপ্তার করতে আসলেও পরিবারের অনুরোধ উপেক্ষা করে একটি কনস্টেবল reportedly এক নারী সদস্যের উপর হাত তোলেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। ঘটনার সময় আশেপাশের গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে টানাহেঁচড়ার সময় কিছুটা আঁচড় লাগলেও পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে থানা থেকে রিজার্ভ ফোর্স এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একই সময়ে রিপনের পিতা-মাতা, ছেলের চাচাসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর রাতেই পুলিশ উপর হামলার অভিযোগে একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ মামলায় অনেক নির্দোষ ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। তারা বলছেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ বা স্থানীয় দালালচক্রের প্ররোচনায় বিশেষ কিছু পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে, অথচ ঘটনার সময় শতাধিক মানুষ ও স্থানীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। পাশাপাশি, ঘটনার আগে ও পরে যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সুস্পষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা আরও দাবি করেছেন, পুলিশি কর্মকাণ্ড এবং গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত শক্তি ব্যবহার, নারী ও পরিবারের ওপর অপমানজনক আচরণ ঘটানো অগ্রহণযোগ্য। তারা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের ঘটনা স্থানীয় স্থিতিশীলতা ও শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর জনগণের আস্থা প্রভাবিত করে। তাই পরিস্থিতি স্বচ্ছভাবে উদ্ভাটন করা, ভুল প্রমাণ ও রাজনৈতিক প্রভাব রোধ করা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য নিশ্চিতভাবে বিবেচনা করে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দৃষ্টান্তমূলক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার দাবিতে স্থানীয়রা জোর দেন। এ ঘটনায় এলাকার সামাজিক এবং রাজনৈতিক পরিবেশে সতর্ক বার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন