
রাজপথে ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রাম, মিছিল-মিটিং এবং দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন ঢাকা জেলার উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব সজিব রায়হান। দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয় এই সংগঠক বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি নিয়মিত রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বিভিন্ন সময় নির্বাচন বর্জনের দাবি, তথাকথিত ‘ডামি’ নির্বাচনবিরোধী আন্দোলন, অসহযোগ কর্মসূচি, হরতাল, অবরোধসহ দল ঘোষিত নানা কর্মসূচিতে তাকে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, হামলা-মামলার প্রতিবাদেও তিনি সক্রিয়ভাবে মাঠে অবস্থান করেছেন বলে দাবি করেন তার সহকর্মীরা।
ঢাকা জেলার উত্তর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, সংগঠনের কঠিন সময়েও সজিব রায়হান কর্মীদের সাহস জুগিয়ে মাঠের রাজনীতিকে সচল রাখতে ভূমিকা রেখেছেন। কেন্দ্রীয় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন। তার নেতৃত্বে ঢাকা জেলার উত্তর ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচি রাজপথে দৃশ্যমান হয়েছে বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
নেতাকর্মীদের মতে, দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে থাকা, ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়—এসব গুণ তাকে একজন কর্মীবান্ধব ও সংগ্রামী সংগঠকে পরিণত করেছে। ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষা করেও তিনি বহুবার আন্দোলনের ময়দানে অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেন তার অনুসারীরা।
বিগত সময়ে তার বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের ছবি ও কর্মকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এসব ছবিতে তাকে কখনো মিছিলের অগ্রভাগে, কখনো আবার কর্মীদের সাহস জোগাতে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। ফলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তিনি অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বলে মত দেন অনেকেই।
ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করে বলেন, সজিব রায়হানের মতো ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব যদি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান, তবে তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে এবং সংগঠন আরও গতিশীল হয়ে উঠবে।
তাদের বিশ্বাস, সাংগঠনিক দক্ষতা, দৃঢ় মনোবল এবং কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতা নিয়ে সজিব রায়হান ভবিষ্যতে ছাত্রদলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ধারায় এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
মন্তব্য করুন