
চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই কিডনি বিকল হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন ২৬ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে পড়াশোনা করা ওই তরুণীর এখন একটাই আকুতি—বাঁচতে চান তিনি।
অসুস্থ ওই শিক্ষার্থীর নাম মিম খাতুন। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ফকিরপাড়া ১ নম্বর কলোনি এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত মঈনুদ্দিনের বড় মেয়ে। তিনি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে বাংলা বিভাগে অনার্স সম্পন্ন করেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে তার দুটি কিডনিই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বর্তমানে চিকিৎসকরা কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু এ চিকিৎসার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, যা তার দরিদ্র পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না।
মিমের মা দুলারী বেগম একজন গৃহিণী। সংসার চালাতে তিনি কাগজের প্যাকেট তৈরি ও বাসাবাড়িতে কাজ করেন। প্রায় ১০ বছর আগে মিমের বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই পরিবারের ওপর নেমে আসে চরম আর্থিক সংকট।
মিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করার পর নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়ে ২০২৫ সালে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এরপর মাস্টার্সে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এবং চাকরি করে সংসারের হাল ধরার স্বপ্ন ছিল তার। কিন্তু কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ায় সেই স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
মিমের ছোট বোন বর্ষা জানান, স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বজনদের সহায়তায় বর্তমানে রাজশাহীতে তার ডায়ালাইসিস করানো হচ্ছে। তবে স্থায়ীভাবে সুস্থ হতে কিডনি প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, যার জন্য বড় অঙ্কের অর্থ দরকার।
অসহায় মায়ের আকুতি—সরকার, সমাজের বিত্তবান ও মানবিক ব্যক্তিরা যেন তার মেয়ের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। তাদের মতে, সবার সামান্য সহযোগিতাই ফিরিয়ে দিতে পারে একটি তরুণ প্রাণ এবং রক্ষা করতে পারে একটি পরিবারের স্বপ্ন।
সহযোগিতা পাঠানোর জন্য—
অ্যাকাউন্ট নম্বর: ৪৭০২৭০৯০০১৫৫১
ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা
মোবাইল: ০১৮৫৭২৬৫২১৪।
মন্তব্য করুন