
টেকনাফ কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি ঝটিকা অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
এসব অভিযানে আনুমানিক ১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক পাচারের অভিযোগে পাঁচজন পাচারকারীকে আটকের পাশাপাশি পাচারে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান ও একটি ফিশিং বোট জব্দ করা হয়েছে।
২৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফের একটি বিশেষ দল নাফ নদী সংলগ্ন বড়ইতলী প্রধান সড়কে অবস্থান নেয়।
এ সময় শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া থেকে আসা একটি সন্দেহভাজন কাভার্ড ভ্যান থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিকালে ভ্যানটির পাটাতনের নিচে বিশেষভাবে তৈরি একটি গোপন চেম্বার থেকে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পাচারের দায়ে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামের বাসিন্দা সাহাদাত হোসেন সাকিবকে (পিতা: মোঃ মান্নান) আটক করা হয়।
একই দিনের অন্য একটি অভিযানে রাত ২টার দিকে মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে ইয়াবার বড় চালান আসার খবরে রাডার নজরদারি ও টহল জোরদার করে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী। শাহপরীর দ্বীপ গোলারচর সংলগ্ন এলাকায় একটি সন্দেহজনক ফিশিং বোট বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করলে সেটিকে ধাওয়া করে আটক করা হয়। পরে বোটে তল্লাশি চালিয়ে ৩ কোটি টাকা মূল্যের ৬০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মোঃ ইয়াসিন এবং স্থানীয় হাজম পাড়ার বাসিন্দা মোঃ ইসমাইল, গিয়াস উদ্দিন ও জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয়।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার (বিএন) সাব্বির আলম সুজন এক বিবৃতিতে জানান, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য, যানবাহন এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সীমান্ত ও সমুদ্রপথে মাদক পাচার রোধে কোস্ট গার্ডের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন