
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার খাজুরিয়া বাজারে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং ২নং কেশারপাড় ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাফিউল হক মজুমদারের মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির সাবেক বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ এবং নোয়াখালী-০২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জয়নুল আবেদিন ফারুক। অনুষ্ঠানটি ২নং কেশারপাড় ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন ২নং কেশারপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল হক সুমন, উপজেলা বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি, যুব ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরা এবং অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে দেশ, জাতি ও দলের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মরহুম সাফিউল হক মজুমদারের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। এছাড়া বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের অংশগ্রহণ থাকায় প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের কাভারেজ সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। এই ধরনের অনুষ্ঠান বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দলীয় ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়াত নেতৃবৃন্দ ও দেশের জননেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।
উক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে দেশ, জাতি ও দলের উন্নতি এবং সকল প্রয়াত নেতাদের জন্য নেয়ামত কামনার পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতনতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বিশেষভাবে রাজনৈতিক সহমর্মিতা এবং শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের গুরুত্বও গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শায়খ মাওলানা ফয়েজ আহমদ দলীয় প্রতীক ও নির্বাচনী প্রচার সামগ্রি বিতরণ করে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও কর্মীসংগঠনের উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করেছেন। তিনি সকল প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক রিক্সার বেইজ ও গেঞ্জি বিতরণ করেন, যা নির্বাচনী প্রচারণার প্রাথমিক উদ্দীপনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আগামীতে আরও নিয়মিত আয়োজন করা হবে, যাতে দলীয় ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং প্রয়াত নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সকলের দায়িত্ববোধ জাগ্রত হয়।
মন্তব্য করুন