গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী বলেছেন, ভোটের মাঠে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা উপস্থিত থাকবে—এটাই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। তবে শেষ সিদ্ধান্ত জনগণের এবং যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা হবে।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় আমতলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তুহিন আহমেদ খান সভাপতিত্ব করেন।
এস এম জিলানী বলেন, “এক বারের জন্য আমাকে একটু সাহায্য করুন। আমি চাই একটি বৈষম্যহীন, মাদকমুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া গড়ে তুলতে। আমার সামর্থ্য যতটুকু আছে, তা দিয়েই মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।” তিনি আরও বলেন, এই এলাকায় ইতোমধ্যেই কিছু উন্নয়ন হয়েছে—এটি অস্বীকার করা যায় না। তবে টেকসই ও স্থায়ী উন্নয়নের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এজন্য জনগণের পরামর্শ নিয়ে উন্নয়নের ধারাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়েছেন তিনি।
এস এম জিলানী বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপির লক্ষ্য নিয়ে আলোকপাত করে বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি সাম্যবুদ্ধি, মানবিক, অসাম্প্রদায়িক, দুর্নীতিমুক্ত এবং বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। আমাদের সবাইকে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে।”
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বসার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী দারিয়া, সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ছলেমান শেখ এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মহিন। বিএনপির অন্যান্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে জনসমক্ষে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন।
এস এম জিলানীর জনসভায় উপস্থিতি ও বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হলো, তিনি জনগণের বিশ্বাস অর্জন করতে এবং নির্বাচনী প্রচারণায় জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণ তাকে ভোটের মাধ্যমে একটি সুযোগ দেবেন যাতে তিনি এলাকার স্থায়ী উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারেন।
মন্তব্য করুন