ইতিহাস ডেস্ক
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ

বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার। ছবি : সংগৃহীত
বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর হাইকোর্ট বিভাগের দুই বিচারপতি—মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার—এর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানায়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের (৮) দফা অনুযায়ী বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।

এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি এক বছর ধরে ছুটিতে থাকা বিচারপতি মামনুন রহমান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। তিনি কানাডা থেকে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে পাঠানো পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের ই-মেইলে প্রেরণ করেন।

অন্যদিকে ৯ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেন। ৫ ফেব্রুয়ারি স্বহস্তে স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তিনি পদত্যাগের ইচ্ছা জানান। পরে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।

আইনজীবী রেজাউর রহমান-এর ছেলে মামনুন রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে জেলা আদালতে এবং ১৯৯০ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০১ সালে আপিল বিভাগে অন্তর্ভুক্ত হন।

আরো পড়ুন...  বাগেরহাট কারাগার থেকে ২৩ ভারতীয় জেলের মুক্তি

২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি এবং ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। কর্মজীবনে তিনি ফ্রান্স, ভারত, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী-এর কন্যা নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়-এ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৮৯ সালে জজ কোর্টে, ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি এবং ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে গুঞ্জন, ‘কিছুই চূড়ান্ত হয়নি’

আত্মসাতের অভিযোগ ৬০ লাখ টাকা, ফেরত চাইতেই প্রাণনাশের হুমকি

মোরেলগঞ্জে জাল সনদে পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে ধরা, জরিমানা ৪ জন

মোংলায় জাতীয় গোয়েন্ধা সংস্থার সংবাদে অবৈধ তেলের গোডাউনে র‌্যাবের অভিযান

মাগুরায় চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ

জগন্নাথপুরে নববর্ষের শুভেচ্ছা লাকির

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান

শ্রীপুরে বিজ্ঞান মেলা শুরু

ঝালকাঠি চত্বর উদ্বোধন

পানছড়িতে বিজ্ঞান উৎসব শুরু

১০

চীন সফরে যাচ্ছেন এমপি মনোয়ার হোসেন

১১

১৯ ক্লাবের অংশগ্রহণে স্মার্ট কিশোরী প্রতিযোগিতা

১২

৭ মাস পর কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন

১৩

নাতিকে স্কুলে দিয়ে ফেরার পথে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত

১৪

ঝড়ে নোয়াখালী রেলপথে অচলাবস্থা

১৫

ফুলবাড়ীতে শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

১৬

৬নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হতে প্রস্তুত ফকরুল বিশ্বাস

১৭

তেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে পানছড়িতে সংঘর্ষ, আহত ৩

১৮

মোরেলগঞ্জে ছাত্রদল নেতা আলি আজিমকে জড়িয়ে ‘ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ, প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

১৯

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের হেরোইন উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার

২০