পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান আজিম। আয়োজিত এই ইফতার মাহফিলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সমাজের বিশিষ্টজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
বৃহস্পতিবার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রমজানের তাৎপর্য, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং হাতিয়ার সার্বিক উন্নয়ন কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান আজিম বলেন, হাতিয়ার মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক দিন দিন আরও গভীর ও দৃঢ় হচ্ছে। তিনি এই অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, “এই মাটি ও মানুষের সঙ্গে আমার আত্মার বন্ধন রয়েছে। আমি সবসময় হাতিয়ার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই এবং তাদের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই।” তিনি আরও জানান, হাতিয়ার উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বক্তব্যে তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়েও কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, হাতিয়ায় বিএনপিকে একটি সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কাজ করবেন। এ লক্ষ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দলকে এগিয়ে নিতে সবাইকে বিভেদ ভুলে একযোগে কাজ করতে হবে।
ফারহান আজিম তার পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তার পিতা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম দীর্ঘদিন ধরে হাতিয়ার মানুষের জন্য কাজ করে আসছেন এবং এই এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার পিতা হাতিয়ার মাটিতেই জীবনের শেষ সময় কাটানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, যা তাদের পরিবারের সঙ্গে এ অঞ্চলের গভীর সম্পর্কেরই প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ফারহান আজিমের বক্তব্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তার প্রতি সমর্থন জানান। তারা হাতিয়ার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দোয়া ও ইফতার মাহফিলটি শেষ হয় দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে। আয়োজনটি স্থানীয়দের মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন