কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মনিপুরঘাট জামে মসজিদে জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার জুমার নামাজের আগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মুসল্লিদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে ওসি বলেন, মাদক বর্তমানে দেশের জন্য একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এর ভয়াবহ প্রভাবে বিশেষ করে তরুণ সমাজ বিপথগামী হচ্ছে এবং অপরাধ প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। চুরি, ছিনতাই, পারিবারিক সহিংসতা ও সামাজিক অস্থিরতার পেছনে মাদকের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, একটি এলাকার সার্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে মাদকের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার পক্ষে এটি নির্মূল করা সম্ভব নয়; বরং সাধারণ জনগণ, অভিভাবক এবং সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
ওসি মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, মনিপুরঘাটসহ আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের ওপর ইতোমধ্যে কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। একই সঙ্গে তিনি স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী অভিযানে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ যদি মাদক সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য জানেন, তাহলে তা নির্ভয়ে পুলিশকে জানান। তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
তিনি অভিভাবকদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব নির্বাচন এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। পরিবার থেকেই সচেতনতা গড়ে উঠলে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা সহজ হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
এ সময় মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পুলিশের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, ধর্মীয় স্থান থেকে এ ধরনের সচেতনতা বার্তা মানুষের মাঝে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে জুমার নামাজের মতো সমাবেশে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত সময়োপযোগী।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিরাও মাদকবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, নিজেদের পরিবার ও সমাজকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকলে মনিপুরঘাটসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হবে এবং একটি নিরাপদ ও সুস্থ সমাজ গড়ে উঠবে।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মনিপুরঘাট জামে মসজিদে জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার জুমার নামাজের আগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মুসল্লিদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে ওসি বলেন, মাদক বর্তমানে দেশের জন্য একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এর ভয়াবহ প্রভাবে বিশেষ করে তরুণ সমাজ বিপথগামী হচ্ছে এবং অপরাধ প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। চুরি, ছিনতাই, পারিবারিক সহিংসতা ও সামাজিক অস্থিরতার পেছনে মাদকের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, একটি এলাকার সার্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে মাদকের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার পক্ষে এটি নির্মূল করা সম্ভব নয়; বরং সাধারণ জনগণ, অভিভাবক এবং সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
ওসি মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, মনিপুরঘাটসহ আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের ওপর ইতোমধ্যে কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। একই সঙ্গে তিনি স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী অভিযানে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ যদি মাদক সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য জানেন, তাহলে তা নির্ভয়ে পুলিশকে জানান। তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
তিনি অভিভাবকদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব নির্বাচন এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। পরিবার থেকেই সচেতনতা গড়ে উঠলে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা সহজ হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
এ সময় মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পুলিশের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, ধর্মীয় স্থান থেকে এ ধরনের সচেতনতা বার্তা মানুষের মাঝে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে জুমার নামাজের মতো সমাবেশে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত সময়োপযোগী।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিরাও মাদকবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, নিজেদের পরিবার ও সমাজকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকলে মনিপুরঘাটসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হবে এবং একটি নিরাপদ ও সুস্থ সমাজ গড়ে উঠবে।
মন্তব্য করুন