
বাগেরহাট জেলার চারটি আসনে মোট ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। বুধবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মোঃ বাতেন সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাছান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু মুহাম্মদ আনছারসহ বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
এবারের প্রতীক বরাদ্দে জেলার তিনটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ এইচ সেলিম। তিনি বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৩ আসনে ঘোড়া প্রতীক গ্রহণ করেছেন।
বাগেরহাট-১ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম ঘোড়া প্রতীক পান। অন্যদিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ মাসুদ রানা ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন।
বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৩ আসনেও এম এ এইচ সেলিম একইভাবে ঘোড়া প্রতীক গ্রহণ করেন। এ দুই আসনে দলীয় প্রার্থীরাও তাদের প্রতিক পেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী মাঠে প্রচারণা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বাগেরহাট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, জামায়াতের শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এ্যাডভোকেট আতিয়ার রহমান তাদের দলীয় প্রতিক পেয়েছেন।
বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, জামায়াতের এ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিল্লুর রহমান এবং জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল (জেএসডি) থেকে মোঃ হাবিবুর রহমান মাস্টার তাদের নিজ নিজ প্রতিক বরাদ্দ পান।
বাগেরহাট-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন হরিণ প্রতিক গ্রহণ করেন। এছাড়া বিএনপির সোমনাথ দে, জামায়াতের অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওমর ফারুক, জেএসডির মোঃ আঃ লতিফ খান এবং জাতীয় পার্টি-জেপি’র সাজন কুমার মিস্ত্রি তাদের দলীয় প্রতিক পেয়ে নির্বাচন-প্রচারণা শুরু করবেন।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, “মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর বাগেরহাটে ২৩ জন বৈধ প্রার্থী ছিলেন। আজকের প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে গেছে। সকলের সহযোগিতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।”
এভাবে প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে বাগেরহাটের চারটি আসনে নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। আগামী দিনগুলোতে প্রার্থীরা তাদের প্রতীক নিয়ে জনসভা, গণসংযোগ ও কর্মসূচি বাড়িয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর কাজ শুরু করবেন।
মন্তব্য করুন