
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শালবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়-এর উদ্যোগে আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান–২০২৬ উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। দিনব্যাপী এ আয়োজন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ দিয়ান উদ্দিন, সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, ৭ নম্বর শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন শাখা। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাবোধ, দলগত মনোভাব ও নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে তোলে। বিদ্যালয়ের এমন আয়োজনকে তিনি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ হেলাল উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং জনাব মোঃ এ কে এম খলিলুর রহমান, সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, ৭ নম্বর শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন শাখা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ রওশন আলী, দপ্তর সম্পাদক; জনাব মোঃ আক্তার হোসেন ভুলু, সভাপতি, ৮ নম্বর ওয়ার্ড; মোছাম্মৎ শাহিনুর খাতুন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক; জনাব মোহাম্মদ আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, ৮ নম্বর ওয়ার্ড, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল; এবং জনাব মোঃ আব্দুস সালাম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক, ৮ নম্বর ওয়ার্ড, ৭ নম্বর শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন।
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ খালিকুজ্জামান মিলন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, ৭ নম্বর শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন। তাঁর দিকনির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষক জনাব মোঃ মোজাম্মেল হকসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ—জনাব মোহাম্মদ হাসিবুর রহমান, মোসাম্মৎ নাদিরা বেগম, জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীরা।
দিনব্যাপী বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা—দৌড়, লং জাম্প, উচ্চ লম্ফসহ নানা ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করে শিক্ষার্থীরা দর্শকদের মুগ্ধ করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
সার্বিকভাবে, বিদ্যালয়ের এ বার্ষিক আয়োজন এক আনন্দময় মিলনমেলায় পরিণত হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য গড়ে তুলতে এ ধরনের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন