
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর কর্মী কর্মশালা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৪টায় কলকলিয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদগঞ্জ বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কলকলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি সামিরুজ্জামান ও মিছবাহ উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জজ কোর্টের এপিপি অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আফজল হোসাইন।
এছাড়া দাওয়াত পেশ করেন জগন্নাথপুর উপজেলা উলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা রবিউল ইসলাম। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন কলকলিয়া ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি লুৎফুর রহমান, ২ নং ওয়ার্ড শাখার সভাপতি ও সাবেক মেম্বার হাবিবুর রহমান, ৩ নং ওয়ার্ড সভাপতি খয়রুল ইসলাম এবং শ্রীধরপাশা সেন্ট্রাল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা হোসাইন আহমদ প্রমুখ।
কর্মশালায় মাহে রামাদানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা রমজানের আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, রমজান কেবল ইবাদতের মাস নয়; এটি নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করারও উপযুক্ত সময়। সমাজে ন্যায়বিচার, শিষ্টাচার ও ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠায় দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংগঠনের কর্মীদের আদর্শিক দৃঢ়তা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। রমজানের শিক্ষাকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে প্রতিফলিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তারা দেশ ও জাতির কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকলিয়া ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক আহমদ শাহ মশহুদ, মাওলানা শিব্বির আহমদ, ২ নং ওয়ার্ড বায়তুলমাল সম্পাদক সালমান আলম কোরেশী, ৩ নং ওয়ার্ড বায়তুলমাল সম্পাদক মুহিতুর রহমান তালুকদার, ২ নং ওয়ার্ড সদস্য শওকতুল ইসলাম, কর্মী তরিকুল ইসলাম, শানুর মিয়া, নেহার খান, ১ নং ওয়ার্ডের কর্মী আমিরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মো. ইজাজুর রহমান, কর্মী সাবাজ খানসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা।
কর্মশালা শেষে ইফতার মাহফিলে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন। দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আদর্শভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও আধ্যাত্মিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন