মো: মুকিম উদ্দিন, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
১২ মার্চ ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

জগন্নাথপুর পৌর নির্বাচনে আলোচনায় আব্দুল মতিন লাকি

আসন্ন জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, ব্যবসায়ী মহল, চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। এসব আলোচনায় বারবার উঠে আসছে জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী মোঃ আব্দুল মতিন লাকির নাম।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে আব্দুল মতিন লাকিকে অনেকেই একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত সংগঠক হিসেবে বিবেচনা করেন। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে দাবি করেন তার অনুসারীরা। রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও চাপের মুখোমুখি হলেও তিনি সংগঠনের কার্যক্রম থেকে কখনো সরে যাননি বলেও উল্লেখ করেন নেতাকর্মীরা।

জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে আব্দুল মতিন লাকি দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেন। জগন্নাথপুর বিএনপি নেতা আব্দুল মুহিত শিশু বলেন, “দলের দুঃসময়ে আব্দুল মতিন লাকি সবসময় রাজপথে ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করছেন। যদি দল তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়, তাহলে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারাও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম নিয়ে আলোচনা করছেন। হবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কায়ুম বলেন, “জগন্নাথপুর পৌরসভা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ নগর এলাকায় পরিণত হয়েছে। নাগরিক সেবা উন্নত করা, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে দক্ষ ও সাহসী নেতৃত্ব প্রয়োজন। আব্দুল মতিন লাকি দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে রাজনীতি করছেন, তাই অনেকেই তাকে মেয়র হিসেবে দেখতে আগ্রহী।”

এ বিষয়ে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা আব্দুল মতিন লাকি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করেছি। দল এবং জনগণ যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে জগন্নাথপুর পৌরবাসীর উন্নয়ন, সুশাসন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।”

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্রুত নগরায়ণের কারণে জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন, আধুনিক সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং নাগরিক সেবা আরও কার্যকর করা এখন সময়ের দাবি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন এবং ভোটারদের রায়ের ওপরই নির্ভর করবে কে হবেন আগামী দিনের জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র। এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় আব্দুল মতিন লাকির নাম উল্লেখযোগ্যভাবে সামনে চলে আসায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আলোচনায় আব্দুল মতিন লাকি

মোঃ মুকিম উদ্দিন, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

আরো পড়ুন...  চট্টগ্রামে বড় সাজ্জাদ নেটওয়ার্কে ধাক্কা, অস্ত্র-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

আসন্ন জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, ব্যবসায়ী মহল, চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। এসব আলোচনায় বারবার উঠে আসছে জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী মোঃ আব্দুল মতিন লাকির নাম।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে আব্দুল মতিন লাকিকে অনেকেই একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত সংগঠক হিসেবে বিবেচনা করেন। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে দাবি করেন তার অনুসারীরা। রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও চাপের মুখোমুখি হলেও তিনি সংগঠনের কার্যক্রম থেকে কখনো সরে যাননি বলেও উল্লেখ করেন নেতাকর্মীরা।

জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে আব্দুল মতিন লাকি দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেন। জগন্নাথপুর বিএনপি নেতা আব্দুল মুহিত শিশু বলেন, “দলের দুঃসময়ে আব্দুল মতিন লাকি সবসময় রাজপথে ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করছেন। যদি দল তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়, তাহলে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারাও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম নিয়ে আলোচনা করছেন। হবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কায়ুম বলেন, “জগন্নাথপুর পৌরসভা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ নগর এলাকায় পরিণত হয়েছে। নাগরিক সেবা উন্নত করা, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে দক্ষ ও সাহসী নেতৃত্ব প্রয়োজন। আব্দুল মতিন লাকি দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে রাজনীতি করছেন, তাই অনেকেই তাকে মেয়র হিসেবে দেখতে আগ্রহী।”

এ বিষয়ে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা আব্দুল মতিন লাকি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করেছি। দল এবং জনগণ যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে জগন্নাথপুর পৌরবাসীর উন্নয়ন, সুশাসন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।”

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্রুত নগরায়ণের কারণে জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন, আধুনিক সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং নাগরিক সেবা আরও কার্যকর করা এখন সময়ের দাবি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন এবং ভোটারদের রায়ের ওপরই নির্ভর করবে কে হবেন আগামী দিনের জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র। এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় আব্দুল মতিন লাকির নাম উল্লেখযোগ্যভাবে সামনে চলে আসায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

 

মোঃ মুকিম উদ্দিন, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

আরো পড়ুন...  জগন্নাথপুরে তরুণ নেতা রাজু আহমদ আলোচনায়

আসন্ন জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, ব্যবসায়ী মহল, চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। এসব আলোচনায় বারবার উঠে আসছে জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী মোঃ আব্দুল মতিন লাকির নাম।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে আব্দুল মতিন লাকিকে অনেকেই একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত সংগঠক হিসেবে বিবেচনা করেন। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে দাবি করেন তার অনুসারীরা। রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও চাপের মুখোমুখি হলেও তিনি সংগঠনের কার্যক্রম থেকে কখনো সরে যাননি বলেও উল্লেখ করেন নেতাকর্মীরা।

জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে আব্দুল মতিন লাকি দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেন। জগন্নাথপুর বিএনপি নেতা আব্দুল মুহিত শিশু বলেন, “দলের দুঃসময়ে আব্দুল মতিন লাকি সবসময় রাজপথে ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করছেন। যদি দল তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়, তাহলে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারাও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম নিয়ে আলোচনা করছেন। হবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কায়ুম বলেন, “জগন্নাথপুর পৌরসভা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ নগর এলাকায় পরিণত হয়েছে। নাগরিক সেবা উন্নত করা, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে দক্ষ ও সাহসী নেতৃত্ব প্রয়োজন। আব্দুল মতিন লাকি দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে রাজনীতি করছেন, তাই অনেকেই তাকে মেয়র হিসেবে দেখতে আগ্রহী।”

এ বিষয়ে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা আব্দুল মতিন লাকি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করেছি। দল এবং জনগণ যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে জগন্নাথপুর পৌরবাসীর উন্নয়ন, সুশাসন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।”

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্রুত নগরায়ণের কারণে জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন, আধুনিক সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং নাগরিক সেবা আরও কার্যকর করা এখন সময়ের দাবি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন এবং ভোটারদের রায়ের ওপরই নির্ভর করবে কে হবেন আগামী দিনের জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র। এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় আব্দুল মতিন লাকির নাম উল্লেখযোগ্যভাবে সামনে চলে আসায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঈদ বার্তায় ঐক্য ও উন্নয়নের ডাক দিলেন কাউন্সিলর প্রার্থী কেয়া

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে মুখ বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মো. ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন

ইটভাটার পাশে ফসলের ক্ষতিপূরণে নজির! চৌডালায় অর্ধশতাধিক কৃষক পেলেন নগদ অর্থ

শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চুরি হওয়া মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেপ্তার, দ্রুত উদ্ধার পুলিশের

ভাণ্ডারিয়ায় নুরুল ইসলাম মঞ্জুরের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

রামপালে মাদক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ ৮ জন গ্রেফতার, ৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার

গণভোট–জুলাই সনদ নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ

ঈদে পর্যটন খাতে হতাশা! শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জে বুকিং কমে অর্ধেকেরও নিচে

১০

মাগুরায় ট্রাক ড্রাইভার হত্যার রহস্য উদঘাটন, একজন গ্রেপ্তার: পুলিশ সুপার

১১

নরসিংদীতে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

১২

দেবীগঞ্জে হিন্দু পরিবারকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ

১৩

শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু, লেবু বাগানের তারে বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগ

১৪

ঈদুল আজহায় ৭ দিন বন্ধ থাকবে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি

১৫

নড়াইলে এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন, আহ্বায়ক জাহিদুল-সদস্য সচিব রিমি

১৬

ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাটে চাঁদাবাজি রোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান

১৭

চন্দ্রায় ঈদযাত্রার চাপ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

১৮

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রত্যয়ে কুয়াকাটা রিপোর্টার্স ইউনিটির যাত্রা শুরু

১৯

মঠবাড়িয়ায় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামানের ফেসবুক আইডি হ্যাক

২০