
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এবং ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লাবনী সিদ্দিকী। তার এই উদ্যোগ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে কালিহাতী উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। ইফতার মাহফিলটি ছিল একদিকে ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতীক, অন্যদিকে আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহর আলী, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রফিক, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ মিয়া, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রতন, সাতুটিয়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার পদপ্রার্থী মো. বেলাল মন্ডলসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কিসলু খান।
ইফতারের পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় লাবনী সিদ্দিকী উপস্থিত সকলের প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাতুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জনগণের সেবা করার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাকে পুঁজি করে তিনি এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চান।
তিনি আরও বলেন, “আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আগামী দিনে কালিহাতীর উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করতে চাই।” এ সময় তিনি উপস্থিত সবার কাছে দোয়া কামনা করেন এবং ভবিষ্যতে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বক্তারা লাবনী সিদ্দিকীর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় সফলতা কামনা করেন। তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।1
ইফতার শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় দেশের উন্নয়ন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জনগণের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকদের মতে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে, যা এলাকার মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি আরও জোরদার করবে।
মন্তব্য করুন