
চাপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ। তার যোগদানের মধ্য দিয়ে উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও জনবান্ধব পুলিশিং সেবা আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশিং পেশায় সততা, সাহসিকতা ও কর্মনিষ্ঠার জন্য ইতোমধ্যেই নিজেকে একটি আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় যোগদানের পর থেকেই তিনি তার পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। বিশেষ করে সদর মডেল থানায় তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি একাধিক জটিল ও আলোচিত মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর নাচোল থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অপরাধ দমনে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। অন্যায়কারী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তার নেতৃত্বে নাচোলকে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত একটি নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ শুধু কঠোর আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা নন, তিনি একজন মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবেও পরিচিত। থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ, জিডি করতে আসা ভুক্তভোগী কিংবা বিভিন্ন সমস্যায় সহায়তা প্রত্যাশী সবার সঙ্গে তিনি আন্তরিক আচরণ করেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান দেওয়ার দক্ষতা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
তার কর্মপরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে সন্ত্রাস ও অপরাধ দমন কার্যক্রম জোরদার করা, অপরাধী চক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। পাশাপাশি নির্যাতিত ও অসহায় মানুষের জন্য থানাকে একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তোলার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, তার দক্ষ নেতৃত্ব ও পেশাদার মনোভাব নাচোল থানার কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। একই সঙ্গে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখার মাধ্যমে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন তিনি।
নতুন দায়িত্বে সুকোমল চন্দ্র দেবনাথের এই যাত্রা নাচোল উপজেলার জন্য একটি আশাব্যঞ্জক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন অনেকেই। তার নেতৃত্বে অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ও জনসেবামুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
মন্তব্য করুন