কুষ্টিয়ার মিরপুরে উপজেলা প্রশাসনের যোগসাজশে রাতের আধারে ফসলী জমি কেটে মাটি পরিবহন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। চিথলিয়া এলাকার মধ্যের ফসলী জমি থেকে মাটি কাটার মাধ্যমে রাস্তা তৈরি করে ড্রাম ট্রাক ও ট্রলি দিয়ে মাটি পরিবহন করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, চিথলিয়া ইটভাটার পাশ দিয়ে মাঠের মধ্য দিয়ে একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছে মাটি পরিবহনের জন্য। রাস্তার পাশ দিয়ে তামাকের ক্ষেত, পরে সরিষার ক্ষেতের পাশে দিয়ে রাস্তা বিস্তৃত হয়েছে। কিছু দূর এগিয়ে গেলে দেখা যায় একটি পুকুর খনন করা হচ্ছে এবং সেখানে এস্কেভেটর বসানো আছে। পুকুর খনন ও মাটি উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের আধারে এ মাটি কেটে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। মাটি পরিবহনের জন্য যে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে, তাতে ফসলী জমি নষ্ট হচ্ছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত চিথলিয়া এলাকার মুন্না মোল্লা নামের এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেও কোনো সুরাহা পাননি।
অভিযোগের বিষয়ে মাটি কাটার সাথে জড়িত করম মোল্লা সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে জানান, “আমাদের জমিতে আমরা মাটি কাটছি, তাতে সমস্যা কি?” তিনি আরও বলেন, “কিছু অংশ সরকারি জমির মধ্যে পড়েছে” — এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে রাতের আধারে মাটি কাটার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেননি।
এ বিষয়ে মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: নাজমুল ইসলামকে বক্তব্য নিতে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি কল কেটে দেন এবং পরে কলব্যাকও করেননি। ইতিপূর্বে তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
মন্তব্য করুন