টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রেললাইনের পৃথক দুটি স্থান থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে উপজেলার সল্লা ইউনিয়ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় শনাক্ত হলেও অন্যজনের পরিচয় এখনও অজ্ঞাত রয়েছে।
শনাক্ত হওয়া নারী হলেন সল্লা ইউনিয়নের মীরহামজানী এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী মুক্তা আক্তার (২৮)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মুক্তা আক্তারের মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় তিনি স্বামীর সঙ্গে রেললাইন পার হচ্ছিলেন। স্বামীর কোলে সন্তান থাকায় তিনি কিছুটা পেছনে ছিলেন। এ সময় অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে একই এলাকার রেললাইনের পাশের ঘাসঝোপ থেকে এক অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ। স্থানীয়দের ধারণা, মরদেহটি কয়েকদিন আগে কোথাও হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই এনামুল মোল্লা জানান, অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে মুক্তা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনাটিও তদন্ত করা হচ্ছে।
এদিকে নিহত মুক্তা আক্তারের ভাই দাবি করেছেন, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন