পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল শুভাকাঙ্ক্ষীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক, আল ফাতেমা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ভলটন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল মতিন লাকি।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল আযহা মুসলিম উম্মাহর জন্য ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক মহান শিক্ষা নিয়ে আসে। কোরবানির আদর্শ মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেয়। ঈদ শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একে অপরের আরও কাছে আসার একটি মহৎ উপলক্ষ।
তিনি বলেন, “কোরবানির মহান আদর্শ নিয়ে পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের দ্বারে সমাগত। এ ঈদ আমাদের ত্যাগের শিক্ষা দেয়। মুসলমানদের নিকট ঈদুল আযহা আনন্দের দিন। এ দিনে মানুষ সকল হিংসা-বিদ্বেষ ও বিভেদ ভুলে গিয়ে ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করে এবং সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়।”
আব্দুল মতিন লাকি আরও বলেন, ঈদুল আযহা আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবনে ঐক্যের বন্ধনকে সুদৃঢ় করে। সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ঈদের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সকলকে ঈদের প্রকৃত শিক্ষা ধারণ করে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে কোরবানির পশুর বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে তিনি পৌরবাসীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানিকৃত পশুর রক্ত ও বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করার জন্য আমি পৌরবাসীর প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। সবাই সচেতন হলে আমাদের পৌর শহর পরিচ্ছন্ন ও বসবাসের উপযোগী থাকবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পবিত্র ঈদুল আযহা সবার জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনবে। পাশাপাশি তিনি দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি এবং অব্যাহত উন্নতি কামনা করেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সক্রিয় আব্দুল মতিন লাকির এমন শুভেচ্ছা বার্তা ও সচেতনতামূলক আহ্বানকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন জগন্নাথপুরের সাধারণ মানুষ। অনেকেই মনে করছেন, ঈদের আনন্দের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়টি তুলে ধরা সময়োপযোগী উদ্যোগ।
মন্তব্য করুন