স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। হাট-বাজার, পথঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে দেখা যাচ্ছে ব্যানার, পোস্টার ও বিলবোর্ড। সম্ভাব্য প্রার্থী ও সমর্থকদের পদচারণায় উপজেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে নির্বাচনী আবহ।
এমন পরিস্থিতিতে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগে নেমেছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও ব্যবসায়ী মো. শহীদ উদ্দিন বাবুল।
কুলিয়ারচর উপজেলার পূর্ব গাইলকাটা গ্রামের সন্তান শহীদ উদ্দিন বাবুল দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। বর্তমানে তিনি কুলিয়ারচর পৌর বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে রাজনৈতিক জীবনে তাকে ছয়বার কারাবরণ করতে হয়েছে।
শহীদ উদ্দিন বাবুল বলেন, তৃণমূলের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাসী। এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং উদীয়মান তরুণ সমাজকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনী ময়দানে সক্রিয় হয়েছেন।
গণসংযোগকালে তিনি বলেন, “কোনো ব্যক্তিগত পদ-পদবির লোভে নয়, কুলিয়ারচরের সাধারণ মানুষ ও যুবসমাজের অধিকার আদায়ের তাগিদেই আমি মাঠে নেমেছি। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও কখনো এলাকার মানুষকে ছেড়ে যাইনি। ইনশাআল্লাহ, জনগণের মূল্যবান সমর্থনে নির্বাচিত হতে পারলে কুলিয়ারচর উপজেলাকে উন্নয়ন, ঐক্য ও অগ্রগতির এক অনন্য রোল মডেলে পরিণত করব।”
প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করছেন তিনি। এরই অংশ হিসেবে শনিবার বাদ মাগরিব উপজেলার আগরপুর বাসস্ট্যান্ডে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে গণসংযোগ করেন শহীদ উদ্দিন বাবুল।
স্থানীয় ভোটার ও তরুণদের মধ্যে কেউ কেউ তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও রাজপথের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তাকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তৃণমূলের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও আগামী দিনে উপজেলা পরিষদে তার প্রতিনিধিত্বের প্রত্যাশা করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন