
ভারতে দোল বা হোলি উৎসব উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার (৪ মার্চ) একদিনের জন্য হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এদিনও বন্দরের অন্যান্য কার্যক্রম এবং হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হোলি উৎসব যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে ওইদিন হিলি স্থলবন্দরের মাধ্যমে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। ভারতের হিলি এক্সপোর্ট অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ৪ মার্চ সারাদিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে পুনরায় যথারীতি কার্যক্রম শুরু হবে।
বিষয়টি বাংলাদেশ অংশের হিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনকে অবহিত করা হয়েছে এবং উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। এতে করে সীমান্তবর্তী ব্যবসায়ীদের মাঝে আগাম প্রস্তুতির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাহিলি কাস্টম সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, “ভারতে দোল বা হোলি উৎসব উপলক্ষে আমদানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও হিলি স্থলবন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম, যেমন রোড আনলোড, কাগজপত্র প্রক্রিয়াকরণসহ অন্যান্য প্রশাসনিক কাজ স্বাভাবিক থাকবে।” তিনি আরও জানান, সাময়িক এ বিরতি দুই দেশের বাণিজ্যে দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রভাব ফেলবে না।
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল জানান, বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পারাপার স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। প্রতিদিনের মতো সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চেকপোস্ট খোলা থাকবে। ফলে চিকিৎসা, ব্যবসা কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যাতায়াতকারীরা কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়বেন না।
উল্লেখ্য, হিলি স্থলবন্দর বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। প্রতিবছর ভারতীয় বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় উৎসব উপলক্ষে নির্দিষ্ট দিনে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হলেও পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুতই তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
মন্তব্য করুন