
শরণখোলায় ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মাসুমের মৃত্যু নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম। তিনি দাবি করেছেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে।
বুধবার রাত ১০টায় মোরেলগঞ্জে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য বলেন, গত ১ মার্চ শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের খুড়িয়াখালী গ্রামে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় প্রবাসীর ছেলে আরিফুল ইসলাম মাসুমের মৃত্যু হয়। তার দাবি, পারিবারিক বিরোধ বা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে আফজাল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে মাসুমের কথাকাটাকাটি হয়। এ নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি সালিস বৈঠক বসে। বৈঠক চলাকালে মাসুম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, “মাসুমের মৃত্যুর সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আফজাল নামের ওই ব্যক্তি জামায়াতের কেউ নন এবং তার সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে।”
এমপি আলীম আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, বাড়িঘর থেকে বের হতে বাধা দেওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনার দায়ও দলটির ওপর চাপানো হচ্ছে। এসব ঘটনার মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে দলটিকে কোণঠাসা করার অপচেষ্টা চলছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি দুঃখজনক এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।
মন্তব্য করুন