
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর উপজেলা প্রকৌশলী ফজলে রাব্বি। সাক্ষাৎকালে উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (৯ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেতু, কালভার্ট এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। একই সঙ্গে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য সম্ভাব্য বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়।
এ সময় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম শরণখোলা উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও বেগবান করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, উপকূলীয় এই উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়ক ও সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, শরণখোলা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় এখানে টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। এজন্য এলজিইডিসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন সংসদ সদস্য।
সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে উপজেলা প্রকৌশলী ফজলে রাব্বি বলেন, শরণখোলা উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে এলজিইডি বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উপজেলার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ এবং জনসাধারণের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এসব উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিমের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংসদ সদস্যের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা থাকলে উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও জনবসতিপূর্ণ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে এলজিইডি নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপজেলার সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বয় আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। স্থানীয় জনগণও আশা প্রকাশ করেছেন, এ ধরনের উদ্যোগের ফলে শরণখোলা উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
মন্তব্য করুন