
বাগেরহাটের শরণখোলায় চাঞ্চল্যকর কিশোরী ফাতেমা আক্তার ওরফে রিয়া মনি (১৫) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।
কিশোরীর বাবা আজিম শেখ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে আসামি করে বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে শরণখোলা থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যার পরপরই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে কিশোরীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সর্বশেষ কললিস্টের সূত্র ধরে রফিকুল ইসলাম রুবেল (৪০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শরণখোলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব কুমার জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তি শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রাজৈর গ্রামের মাসুম হাওলাদারের ছেলে এবং রায়েন্দা বাজারের কসমেটিক ব্যবসায়ী। হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।
গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের মধ্য রাজৈর গ্রামের একটি কবরস্থানের পাশ থেকে ফাতেমা আক্তার ওরফে রিয়া মনির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কে বা কারা ওই কিশোরীকে জবাই করে হত্যার পর সেখানে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক কারবারিরা রিয়া মনিকে মাদক সরবরাহকারী ও ‘হানিট্র্যাপ’ হিসেবে ব্যবহার করতো। মাদক সংক্রান্ত কোনো বিরোধের জেরে তাকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন