বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় দৈনিক বাংলা পত্রিকার স্থানীয় প্রতিনিধি সঞ্জয় কুলুর সঙ্গে এক তরুণীর সম্পর্ক ও পরবর্তী বিয়ে নিয়ে জটিলতা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সঞ্জয় কুলু দাবি করেন ২০২৬ সালের ১৬ মার্চ নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে তাদের সম্পর্ক আদালতে নথিভুক্ত হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নথিতে উভয় পক্ষের ছবি, স্বাক্ষর এবং নোটারি পাবলিকের সত্যায়ন রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সম্পর্কের পর তিনি মেয়েটি ও তার পরিবারের বিভিন্ন প্রয়োজনে সহায়তা করেছেন। তবে পরে বিভিন্ন প্রভাব বা পরিস্থিতির কারণে মেয়েটি তার সঙ্গে সংসার করতে রাজি হয়নি।
অন্যদিকে, মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। মেয়ের দাদু বিমল চন্দ্র মণ্ডল বলেন, পারিবারিক সিদ্ধান্তে বরগুনার ফুলঝুড়ি এলাকার এক গার্মেন্টস কর্মীর সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সালিসকার ওবায়দুল হক জানান, বিষয়টি নিয়ে সালিস বৈঠক হলেও সেখানে কোনো চূড়ান্ত বা লিখিত সমাধান হয়নি। ডিভোর্স সংক্রান্ত কাগজপত্র না পাওয়ার আগেই বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি জানা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, পরিবারের উপস্থিতিতে সম্প্রতি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা এলাকায় তরুণীর বিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও আইনগত বিতর্ক চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন