চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মামুনুল ইসলাম মামুনের কন্যার জমকালো কাবিননামা ও আকদ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ক্রীড়া অঙ্গনের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
শুক্রবার (২২ মে) বাদ আসর পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহচান্দ আউলিয়ার মাজার মসজিদ প্রাঙ্গণে এ আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পটিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মামুনুল ইসলাম মামুনের কন্যা সাদিয়া ইসলাম মীমের সঙ্গে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের বিবাহবন্ধন সম্পন্ন হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ এনামুল হক এনাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক পটিয়া পৌরসভার মেয়র নুরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বদরুল খায়ের চৌধুরী, গাজী আবু তাহের, তৌহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং কৃষক দলের অসংখ্য নেতাকর্মী। তাঁদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। অনেকেই নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁদের সুখী ও সুন্দর দাম্পত্য জীবনের কামনা করেন।
আয়োজক পরিবারের পক্ষ থেকে অতিথিদের আন্তরিক আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হওয়া এ আয়োজনটি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নবদম্পতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করেন।
বিবাহবন্ধন মানুষের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বিয়ে শুধু দুটি মানুষের নয়, বরং দুটি পরিবারের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্পর্কের বন্ধন সৃষ্টি করে। ইসলামী রীতিনীতি অনুযায়ী নবদম্পতির জন্য দোয়া করা সুন্নত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা রাসুল (সা.)-এর শেখানো দোয়া পাঠ করে নবদম্পতির জন্য বরকত কামনা করেন।
দোয়ায় বলা হয়—
“বারাকাল্লাহু লাকা ওয়া বারাকা আলাইকা ওয়া জামাআ বাইনাকুমা ফি খাইর।”
অর্থাৎ, “আল্লাহ তোমাদের জন্য এ বিয়েকে বরকতময় করুন, তোমাদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন এবং কল্যাণের সঙ্গে তোমাদের উভয়কে মিলিত রাখুন।”
আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এ আকদ অনুষ্ঠান পটিয়াজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক ভিন্নমত ভুলে এমন সামাজিক আয়োজনে একত্রিত হওয়া সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।
মন্তব্য করুন