নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মহামান্য হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ অমান্য করে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে সুবাস চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী বিবেকানন্দ দাস জানান, লোহাগড়া পৌর এলাকার ৯৬ নম্বর কচুবাড়িয়া মৌজার ৩৫টি দাগে মোট ৫ একর ৯৬ শতাংশ জমি নিয়ে তার সঙ্গে সুবাস চন্দ্র দাসের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এ বিষয়ে ১৯৮৯ সালের ৩৯ নম্বর ডিগ্রি এবং ২৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে নিম্ন আদালতের ০৭/২০২৪ নম্বর মামলার রায় বাতিল চেয়ে তিনি মহামান্য হাইকোর্টে ২৭৯৮ নম্বর মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি এস.এম. কুদ্দুস জামান রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জমির দখল ও অবস্থার স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালতের আদেশের অনুলিপি উভয় পক্ষকে ডাকযোগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বাদীর অভিযোগ, হাইকোর্টের ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৮টার দিকে বিবাদী সুবাস চন্দ্র দাস আরএস ১২৩৭ নম্বর বিতর্কিত দাগের প্রায় ২০ শতাংশ জমির ওপর পাকা ভবন নির্মাণ এবং একটি অগভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু করেন। বিষয়টি অবহিত করে নির্মাণকাজে বাধা দেওয়া হলেও তিনি কাজ চালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুবাস চন্দ্র দাস বলেন, “হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আমি অবগত নই।”
এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা ও আইনগত প্রক্রিয়ার আলোকে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন