দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থেকে মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ, অনুসন্ধান এবং তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের কাজ করে আসছেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। জাতীয় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা-এ সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নোয়াখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় নানা ঘটনা, অনিয়ম, সম্ভাবনা, সাফল্য ও জনদুর্ভোগ নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।
দীর্ঘ এই সাংবাদিকতা জীবনে অনুসন্ধান করতে গিয়ে কখনো এমন তথ্য সামনে এসেছে, যা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরেছে। আবার কখনো এমন তথ্যও পাওয়া গেছে, যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন বা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
তবে প্রফেসর ড. আবু নাছেরের মতে, সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নয়; তথ্য, প্রমাণ ও জনস্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
একজন মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকের কাজ শুধু ঘটনাস্থলে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করা নয়। একটি ঘটনার সত্যতা ও পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরতে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য নেওয়া, ঘটনাস্থল পরিদর্শন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলা, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই এবং একাধিক সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন হয়।
এসব প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি ঘটনার বিভিন্ন দিক সামনে আসে। ফলে কোনো প্রতিবেদনে কারও ইতিবাচক কর্মকাণ্ড উঠে আসতে পারে, আবার অন্য কোনো প্রতিবেদনে একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো অভিযোগ বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডও উঠে আসতে পারে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এটিকে স্বাভাবিক বাস্তবতা হিসেবেই দেখেন তিনি।
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের মনে করেন, একজন সাংবাদিকের কাজ কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অবস্থান নেওয়া নয়; বরং মানুষের সামনে যাচাই করা তথ্য তুলে ধরা।
কোনো ব্যক্তি ভালো কাজ করলে তার প্রশংসনীয় কর্মকাণ্ড সংবাদে আসবে—এটাই স্বাভাবিক। আবার একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাইযোগ্য তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে পাওয়া গেলে সেটিও সংবাদে আসতে পারে। দুটি বিষয়কে পরস্পরবিরোধী হিসেবে না দেখে সাংবাদিকতার দায়িত্বের অংশ হিসেবে দেখা প্রয়োজন।
কারণ সংবাদ কারও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি রক্ষার মাধ্যম নয়, একইভাবে কাউকে হেয় করার হাতিয়ারও হওয়া উচিত নয়।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে নোয়াখালী ও আশপাশের বিভ
মন্তব্য করুন