
ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে কর্মরত এএসআই (সঃ) মোঃ রাশেদ আলীর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার। তাঁর অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে ফরিদপুর জেলা পুলিশ পরিবারসহ সহকর্মী ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ মার্চ অগ্নাশয় প্রদাহজনিত গুরুতর সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে এএসআই (সঃ) মোঃ রাশেদ আলী ফরিদপুর পুলিশ হাসপাতাল থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ৯ মার্চ তাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগে রেফার্ড করেন। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কিন্তু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে আইসিইউ ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) সকাল ৯টা ১৪ মিনিটে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে সহকর্মী ও পরিচিত মহলে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
মরহুম এএসআই রাশেদ আলীর জানাজার নামাজ শুক্রবার বাদ জুমা বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম, পিপিএমসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী, সহকর্মী এবং মরহুমের আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষে পুলিশ সুপার মরহুমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, এএসআই রাশেদ আলী ছিলেন একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী পুলিশ সদস্য। কর্মজীবনে তিনি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর এই অকাল প্রয়াণে ফরিদপুর জেলা পুলিশ একটি দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ সদস্যকে হারালো।
এদিকে তাঁর মৃত্যুতে ফরিদপুর জেলা পুলিশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝেও গভীর শোক ও শোকাহত পরিবেশ বিরাজ করছে। সহকর্মীরা জানান, তিনি ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল একজন মানুষ, যিনি সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন।
এএসআই রাশেদ আলীর এই অকাল মৃত্যুতে ফরিদপুর জেলা পুলিশ পরিবার গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর শূন্যতা দীর্ঘদিন সহকর্মী ও পরিচিতজনদের মনে বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে।
ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে কর্মরত এএসআই (সঃ) মোঃ রাশেদ আলীর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার। তাঁর অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে ফরিদপুর জেলা পুলিশ পরিবারসহ সহকর্মী ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ মার্চ অগ্নাশয় প্রদাহজনিত গুরুতর সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে এএসআই (সঃ) মোঃ রাশেদ আলী ফরিদপুর পুলিশ হাসপাতাল থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ৯ মার্চ তাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগে রেফার্ড করেন। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কিন্তু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে আইসিইউ ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) সকাল ৯টা ১৪ মিনিটে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে সহকর্মী ও পরিচিত মহলে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
মরহুম এএসআই রাশেদ আলীর জানাজার নামাজ শুক্রবার বাদ জুমা বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম, পিপিএমসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী, সহকর্মী এবং মরহুমের আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষে পুলিশ সুপার মরহুমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, এএসআই রাশেদ আলী ছিলেন একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী পুলিশ সদস্য। কর্মজীবনে তিনি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর এই অকাল প্রয়াণে ফরিদপুর জেলা পুলিশ একটি দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ সদস্যকে হারালো।
এদিকে তাঁর মৃত্যুতে ফরিদপুর জেলা পুলিশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝেও গভীর শোক ও শোকাহত পরিবেশ বিরাজ করছে। সহকর্মীরা জানান, তিনি ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল একজন মানুষ, যিনি সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন।
এএসআই রাশেদ আলীর এই অকাল মৃত্যুতে ফরিদপুর জেলা পুলিশ পরিবার গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর শূন্যতা দীর্ঘদিন সহকর্মী ও পরিচিতজনদের মনে বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন