
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ঢাকাস্থ সেনবাগ ৫নং ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানী ঢাকার নবাবপুরে অবস্থিত স্টার হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ঢাকায় বসবাসরত সেনবাগ ৫নং ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। ধর্মীয় আবহ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন উপস্থিত অতিথিদের মাঝে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টপ স্টার গ্রুপের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, লায়ন্স ক্লাব অব সেনবাগ সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট এবং সেনবাগ ৫নং ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতির প্রধান উপদেষ্টা লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ। তার উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করে তোলে।
ইফতার মাহফিলে ঢাকায় অবস্থানরত সেনবাগ ৫নং ইউনিয়নের বিভিন্ন পেশাজীবী, সমাজসেবক, ব্যবসায়ী ও তরুণ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। পবিত্র রমজানের তাৎপর্য ও মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সবাই একত্রে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক মতবিনিময়, পরিচিতি ও সামাজিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ বলেন, মানুষ যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, নিজের জন্মভূমি ও এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন প্রবাসে থাকা মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত করে। আমাদের উচিত এ ধরনের উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করা, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের এলাকার উন্নয়ন ও কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, রমজান শুধু সংযমের মাসই নয়, এটি মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই এ মাসে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে দেশ ও জাতির সার্বিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি সেনবাগ ৫নং ইউনিয়ন কল্যাণ সমিতির অগ্রগতি, ঐক্য এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের সফলতা কামনা করা হয়।
সামগ্রিকভাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিলটি ঢাকায় অবস্থানরত সেনবাগবাসীর মধ্যে এক আনন্দঘন, আন্তরিক ও সম্প্রীতিময় পরিবেশ সৃষ্টি করে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, যাতে প্রবাসে থেকেও এলাকার মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
মন্তব্য করুন