
সাভার, আশুলিয়া ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্ররাজনীতিতে আলোচিত নাম নবীনূর ইসলাম নবীন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখে তিনি ত্যাগী ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
সহকর্মীদের মতে, দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবার সঙ্গে মানবিক আচরণ এবং সংগঠনের প্রতি তার আন্তরিকতা তাকে একজন কর্মীবান্ধব সংগঠক হিসেবে পরিচিত করেছে। ছাত্ররাজনীতিতে তার সাহসী ভূমিকা ও নিষ্ঠার কারণে তিনি সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছেও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
জানা গেছে, প্রায় দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ছাত্ররাজনীতির মাঠে সক্রিয় রয়েছেন নবীনূর ইসলাম নবীন। এই সময়ে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি একাধিকবার হামলা, মামলা ও বিভিন্ন ধরনের চাপের মুখে পড়েছেন বলে সহকর্মীরা জানিয়েছেন। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি সংগঠনের আদর্শ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।
সহকর্মীদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কারণে দীর্ঘ সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিকভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া এবং নিজ এলাকায় অবস্থান করাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এ সময় রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে তার বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়েও বিভিন্ন ধরনের চাপ ও হুমকির অভিযোগ ওঠে।
বিশেষ করে ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন নবীনূর ইসলাম নবীন। ওই সময় দায়ের হওয়া একটি মামলায় তাকে প্রধান আসামি করা হয় বলে জানা গেছে। সহকর্মীদের ভাষ্য, আন্দোলনের রাজনীতিতে সামনের সারিতে থাকা নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
নেতাকর্মীদের মতে, সংগঠনের কঠিন সময়েও নবীন সবসময় কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আন্দোলনের সময় কর্মীদের সাহস জোগানো ও সংগঠনকে সক্রিয় রাখতে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে তারা মনে করেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, ছাত্ররাজনীতিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে সামনে আনা সময়ের দাবি। তাদের মতে, ভবিষ্যতে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন নেতৃত্ব দায়িত্ব পেলে তা সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখতে পারে।
মন্তব্য করুন