মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর রহিমপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য খুশবা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয়রা।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) জুমার নামাজের পর ইউনিয়নের প্রতাপী জামে মসজিদের সামনে স্থানীয়দের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় তাজ মিয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মো. আতাউর রহমান, মো. গউছ মিয়া, আব্দুল মুকিত, সুকুর মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, হাদি মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রতিবাদ সভায় খুশবা বেগমের সাবেক স্বামী আঙুর মিয়া অভিযোগ করে বলেন, রহিমপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সাজেল মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রী খুশবা বেগমের দীর্ঘদিনের পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আঙুর মিয়ার দাবি, তাকে কিছু না জানিয়ে খুশবা বেগম দুই সন্তানকে রেখে ১৮ মাস বয়সী এক কন্যাশিশুকে সঙ্গে নিয়ে চলে যান। পরবর্তীতে প্রায় এক মাস আগে তিনি তাকে তালাক দেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
আঙুর মিয়া বলেন, “আমি কোনো অন্যায় করিনি। আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও প্রচারিত অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার কামনা করছি।”
প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শামিম আহমেদ, আহমদ আলী, পারভেজ মিয়া, জমির মিয়া, জইন মিয়া, মাসুক মিয়া, তসকির মিয়া, হুসন মিয়া, হাদই মিয়া, মাওলানা ফেরদৌস, মোস্তাকিম মিয়া, লিয়াকত মিয়া, আনোয়ার মিয়া, আমু মিয়া, টিপু মিয়া, সামাদুল ইসলাম, এমরান আলী, ওয়েছ আহমেদ, কামাল হোসেন, রাকিব মিয়া, হাবিজ মিয়া, ইমন মিয়া, শাহিন মিয়া, শাহাব উদ্দিন, আসুক মিয়া, আশিক মিয়া, খাজা মিয়া, জমির মিয়াসহ স্থানীয় অনেকে।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রহিমপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সাজেল মিয়া বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
অন্যদিকে, খুশবা বেগম বলেন, তিনি তার স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। সাজেল মিয়ার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ রটানো হচ্ছে।
মন্তব্য করুন