কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে সড়ক থেকে উদ্ধার হওয়া এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। ফলে ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য ক্রমেই আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
গত ২৬ মে (সোমবার) ভোরে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের কুলিয়ারচর উপজেলার গণখকালী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ভৈরব হাইওয়ে পুলিশ। উদ্ধার হওয়ার পর থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মরদেহ উদ্ধারের সময় ওই যুবকের শরীরে শুধু একটি প্যান্ট ছিল, গায়ে কোনো পোশাক ছিল না। এ কারণে তার মৃত্যু স্বাভাবিক নাকি পরিকল্পিত—তা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের ধারণা, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে ওই স্থানে ফেলে রেখে যেতে পারে। আবার অন্য একটি ধারণা অনুযায়ী, কোনো যানবাহনের চাপায় তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
তবে মরদেহে পোশাক না থাকা এবং পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ঘটনাটি আরও জটিল ও রহস্যজনক হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শনিবার (৬ জুন) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, মরদেহের পরিচয় শনাক্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে অবহিত করা হয়। পিবিআইয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করলেও এখন পর্যন্ত পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ বলছে, আইনগত প্রক্রিয়ায় সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পরিচয় শনাক্ত হলে তার গতিবিধি, যাতায়াত ও মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল—সেসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন