পঞ্চগড় সদর উপজেলায় এক নারীর ঘর থেকে জহিরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের দাবি, জহিরুল ইসলামের আগে চারটি বিয়ে রয়েছে এবং তিনি স্থানীয়ভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে গইজপাড়া এলাকায় এক নারীর ঘর থেকে জহিরুল ইসলামকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে দড়ি দিয়ে বাড়ির বারান্দার একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজিত জনতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জহিরুল ইসলাম ও ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। লিখিত অভিযোগ না থাকায় বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, জহিরুল ইসলামকে জামায়াতের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা চলছে। তবে পঞ্চগড় জেলা জামায়াতের নেতারা দাবি করেছেন, তিনি দলের কোনো সদস্য নন। তাদের ভাষ্য, জহিরুল ইসলাম কেবল দলটির সমর্থক ছিলেন; সাংগঠনিকভাবে তার কোনো পদ বা সদস্যপদ নেই।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছ বলেন, “নারী ও পুরুষ—দুজনকেই উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তারা থানায় রয়েছেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন