সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরবাসীর কাছে মানবিকতা, সমাজসেবা ও পরোপকারের এক উজ্জ্বল নাম আব্দুল মতিন লাকি। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে ইতোমধ্যে তিনি হয়ে উঠেছেন আস্থার প্রতীক। দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করায় স্থানীয়দের কাছে তিনি এখন “মানবতার ফেরিওয়ালা” হিসেবেই বেশি পরিচিত।
জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের কৃতী সন্তান আব্দুল মতিন লাকি মরহুম আলহাজ্ব ছনর আলীর ছেলে। তিনি একজন সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও মানবিক সংগঠক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এছাড়াও তিনি আল ফাতেমা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ভল্টন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জগন্নাথপুর উপজেলার সাবেক আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করেছেন। স্থানীয়দের মতে, হাস্যোজ্জ্বল ও সদা প্রাণবন্ত এই মানুষটি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন তিনি। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই যেন তার জীবনের মূল লক্ষ্য।
পৌর শহরের বিভিন্ন দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়ের ব্যবস্থা করা, অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান, চিকিৎসাসহায়তা এবং দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ নানা মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন তিনি। শুধু তাই নয়, যেকোনো সামাজিক সমস্যা কিংবা দুর্যোগে সবার আগে ছুটে যান আব্দুল মতিন লাকি।
করোনাকালে তার মানবিক কর্মকাণ্ড বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। নিজের সংগঠনের মাধ্যমে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। রমজান মাসে নিম্নআয়ের মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। এছাড়াও বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। তার এসব কর্মকাণ্ড সমাজের অনেকের জন্য অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন আব্দুল মতিন লাকি। তিনি মনে করেন, সমাজ পরিবর্তনে ভালো মানসিকতা এবং মানবসেবার বিকল্প নেই।
আব্দুল মতিন লাকি বলেন, “ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। মানুষের সেবা করা এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজে অংশ নেওয়া অনেক সওয়াবের কাজ। আমি চাই জগন্নাথপুর পৌরবাসীর কল্যাণে আজীবন কাজ করে যেতে। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই।”
তিনি আরও বলেন, “সমাজ ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই। এজন্য আমি পৌরবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
মানবিকতা, সততা ও সমাজসেবার মাধ্যমে আব্দুল মতিন লাকি ইতোমধ্যে জগন্নাথপুরের মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও তিনি মানবকল্যাণে তার এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।
মন্তব্য করুন