আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নার্সিং স্টাফদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে হাসপাতালের নার্সিং বিভাগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলা আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য অধ্যাপক মো. রমজান আলী।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি নার্সিং সুপারিন্টেন্ডেন্ট মঞ্জুশ্রি সরকার। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত জামায়াত নেতৃবৃন্দ নার্সিং স্টাফদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা নার্সদের পেশাগত দায়িত্ব, মানবসেবায় তাদের অবদান এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. রমজান আলী বলেন, নার্সরা স্বাস্থ্যসেবার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে অসুস্থ মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন, যা মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, নার্সদের সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সমাজের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে নার্সদের অবদান অনস্বীকার্য। চিকিৎসকদের পাশাপাশি রোগীদের সেবা প্রদানে নার্সরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাদের আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণ রোগীদের আস্থা অর্জনে সহায়তা করে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বুরহান উদ্দিন সুমন, যশোদল জামায়াত নেতা বুরহান উদ্দিনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। নার্সিং স্টাফদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এমরান হোসেন, সাদেকুর রহমানসহ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে নার্সদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও তাদের কাজের পরিবেশ উন্নত করা প্রয়োজন। তারা নার্সদের পেশাগত উন্নয়ন ও নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি নার্সিং সুপারিন্টেন্ডেন্ট মঞ্জুশ্রি সরকার আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে হাসপাতালে এসে শুভেচ্ছা জানানোয় জামায়াত নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ নার্সদের কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা যোগায় এবং তাদের দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করে।
সামগ্রিকভাবে অনুষ্ঠানটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়, যা নার্সদের প্রতি সম্মান ও স্বীকৃতির একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
মন্তব্য করুন