মাগুরার শ্রীপুরে মামলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মহেশপুর গ্রামের সিমু খাতুন নামের এক নারী। একই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শ্রীপুর মহিলা কলেজসংলগ্ন উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সিমু খাতুন অভিযোগ করেন, মহেশপুর গ্রামের নাজমা খাতুন জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া স্ট্যাম্প তৈরি করে তার বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকার মামলা করেছেন। ওই স্ট্যাম্প মহেশপুর গ্রামের কামাল মৃধার কাছে গচ্ছিত ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
সিমু খাতুনের ভাষ্য, পরবর্তী সময়ে ওই স্ট্যাম্পের মাধ্যমে তার ও তার স্বামী কামাল মৃধার বিরুদ্ধে ২৫ লাখ টাকার আরেকটি মামলা করা হয়। এ ঘটনায় দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে প্রদীপ এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন সিমু।
অন্যদিকে রফিকুল আলম প্রদীপ বলেন, প্রায় দুই বছর আগে শীতের সময় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে নাজমা খাতুন ও তার পরিবারের সঙ্গে একটি সালিশ হয়। সেখানে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিষয়টির মীমাংসা করা হয়। ওই টাকা তার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনের কাছে গচ্ছিত ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
প্রদীপ আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিওতে তার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। তার দাবি, তিনি কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন উল্লেখ করে প্রদীপ বলেন, বিএনপি তাকে দ্বারিয়া
মন্তব্য করুন