পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে কারিতাস বাংলাদেশের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ৪ হাজার ৫০টি চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের মাধ্যমে এ চারাগাছ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।
কারিতাস বাংলাদেশ, বরিশাল অঞ্চলের অধীনে বাস্তবায়নাধীন এ্যাকরাব প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির লক্ষ্য হলো গ্রাম পর্যায়ে বনায়নের মাধ্যমে জলবায়ু প্রশমন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কালিম মাহমুদ, কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের কর্মসূচি কর্মকর্তা ডি এম সম্রাট সেরাও, কলাপাড়া উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আশ্রাফ আলী, কলেজের সহকারী অধ্যাপক চঞ্চল সাহা, মহিপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খান, কারিতাসের ধরিত্রী ও এ্যাকরাব প্রকল্পের জুনিয়র কর্মসূচি কর্মকর্তা জর্জ বৈরাগী এবং কুয়াকাটা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মিজানুর রহমান রিপন।
এ ছাড়া মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ও কারিতাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পরিবেশবান্ধব কৃষি (এগ্রো-ইকোলজি) চর্চার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অভিযোজন কৌশল বৃদ্ধিতে সক্ষমতা অর্জন (এ্যাকরাব)’ প্রকল্পের আওতায় কলাপাড়ার মহিপুর ও লতাচাপলী ইউনিয়নে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রকল্পের আওতায় মহিপুর ও লতাচাপলী ইউনিয়নের মোট সাতটি স্কুল ও একটি কলেজে ৩৫০টি চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া এ্যাকরাব প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত ২০টি কৃষক মাঠ স্কুলের ৩৭০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ৩ হাজার ৭০০টি চারাগাছ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক উপকারভোগীকে ১০টি করে চারা দেওয়া হয়েছে।
বিতরণ করা চারাগাছের মধ্যে রয়েছে আমরূপালী, কাঁঠাল, মেহগনি, সুপারি, জলপাই ও আমলকীসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
কারিতাসের সংশ্লিষ্টরা জানান, স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কৃষক পরিবারের মধ্যে ফলদ, বনজ ও অন্যান্য উপকারী প্রজাতির চারা বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয়ভাবে সবুজায়ন বাড়ানোই এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।
মন্তব্য করুন