চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য প্রার্থী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ কায়সার মিয়া দাবি করেছেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবে হয়রানি করতে একটি মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।
কায়সার মিয়ার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে মুরালিঘাট বাজারে তার সাউন্ড সিস্টেমের দোকানে চুরির ঘটনায় কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়। ওই ঘটনায় স্থানীয় মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যরা জড়িত ছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার হলে কিছুদিনের জন্য মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকা ছেড়ে চলে যায়।
তার অভিযোগ, বর্তমানে ওই চক্রটি পুনরায় সক্রিয় হয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। গত ২৯ জুন রাতে একটি মাদক মামলায় কয়েকজন আটক হওয়ার পর তাকে পলাতক আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ ঘটনার সময় তিনি অসুস্থ এক স্বজনকে নিয়ে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন বলে দাবি করেন।
কায়সার মিয়া বলেন, তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ছনহরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চক্র তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে নির্বাচনী মাঠ থেকে দূরে সরানোর চেষ্টা করছে।
তিনি আরও জানান, তার মুদি ও চায়ের দোকান, সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবসা, জমিজমার দেখভাল এবং গরুর খামার রয়েছে। পাশাপাশি তিনি এলাকার মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি মামলার বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে স্থানীয় সূত্রের দাবি, ছনহরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাদক সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। এ অবস্থায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও কার্যকর ভূমিকার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
উল্লেখ্য, কায়সার মিয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা মামলার বাদীপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন