ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে আজ রোববার (৫ জানুয়ারি)। যাচাই-বাছাই শেষে আপিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এখন পর্যন্ত বিভিন্ন আসনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য কিছু উদাহরণ:
- ঢাকা-৯: এনসিপির সাবেক নেত্রী তাসনিম জারার মনোনয়ন বাতিল।
- ময়মনসিংহ-৭: বিএনপি প্রার্থী মাহবুবুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল; স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাতেরও বাতিল।
- চট্টগ্রাম-৫: স্বতন্ত্র বিএনপি প্রার্থী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়ন বাতিল।
- সিলেট-১, ৩, ৪ ও ৬: বিএনপি ও এনসিপি প্রার্থীদের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতার কারণে।
- বরিশাল-২ ও ৩: বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মনোনয়ন স্থগিত বা বাতিল।
- রংপুর ও রাজশাহী: বিভিন্ন আসনে স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল।
মনোনয়ন বাতিলের প্রধান কারণগুলো হলো:
- প্রার্থী বা সমর্থক ভোটারের স্বাক্ষরের ভুল/অনুপস্থিতি
- আয়কর/হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া
- দ্বৈত নাগরিকত্ব বিষয়ক কাগজপত্রের ঘাটতি
- দলীয় মনোনয়নপত্র বা অঙ্গীকারনামার ত্রুটি
- মামলা বা অন্য আইনি জটিলতা
এছাড়া বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার শেষে প্রার্থীদের আপিল ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে।