পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিনারা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি ভাতা দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তিনি সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মিনারা বেগম। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে মিনারা বেগম বলেন, অন্ধ বৃদ্ধ গনি খাঁর বয়স্ক ভাতা বন্ধ বা আত্মসাৎ করার অভিযোগ সঠিক নয়। গনি খাঁ পূর্ব থেকেই ভাতা তালিকাভুক্ত ছিলেন এবং তার প্রাপ্য অর্থ নিয়মিতভাবে তার ছেলের মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে পাঠানো হচ্ছে। পরে গনি খাঁ নিজেই ভাতা না পাওয়ার কথা জানালে তাকে সমাজকল্যাণ অফিসে গিয়ে নম্বর পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য পানির ট্যাংক দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছেও কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি বলে তিনি দাবি করেন।
মিনারা বেগম বলেন, “যদি কোনো অভিযোগ থাকত, তাহলে অবশ্যই তদন্ত করে আমাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হতো।”
তিনি জানান, নিরপেক্ষ তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী যে কোনো শাস্তি মেনে নেবেন।
তিনি আরও বলেন, মিথ্যা অভিযোগের কারণে তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং তার সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এ ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এলাকাবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান এবং সত্য যাচাই করে অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আব্দুল্লাহ মানিক, সাইফুল ইসলাম সাগর, রিপন সাব্বিরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এ সময় স্থানীয় সেলিম মুন্সী অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও বানোয়াট উল্লেখ করে এর নিন্দা জানান।
মন্তব্য করুন