মাগুরায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে মাগুরা জেলা অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও মাগুরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মাওলানা এম বি বাকেরের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য ও যশোর–কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মুবারক হুসাইন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান (বাচ্চু) এমপি এবং কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও মাগুরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর আব্দুল মতিন।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী অধ্যাপক মাওলানা সাইদ আহমেদ বাচ্চু এবং সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা মারুফ কারখীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মাহবুবুর রহমান, জেলা যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা রবিউল ইসলাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মো. ইব্রাহিম বিশ্বাস, সদর আমীর অধ্যাপক ফারুক হুসাইন, শ্রীপুর উপজেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা ফখরুদ্দিন মিজান, শালিখা উপজেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা আফছার আলী এবং ইসলামী ছাত্রশিবির মাগুরা জেলা সভাপতি মো. জুবায়ের হোসেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আব্দুল গাফফার, অধ্যাপক মাওলানা মশিউর রহমান, জেলা শুরা সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা বি এম এরশাদুল্লাহ অহিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সম্মেলনে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের সভাপতি-সেক্রেটারী এবং কর্মপরিষদ সদস্যরা অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে ওয়ার্ড পর্যায়কে ইসলামের দুর্গে পরিণত করতে হবে। দাওয়াতি কার্যক্রম সম্প্রসারণে চারিত্রিক মাধুর্য ও জনসম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তারা সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রধান অতিথি মুবারক হুসাইন তার বক্তব্যে বলেন, বিগত ১৫ বছরে যে ধরনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল, তার চেয়েও বর্তমান সময়ের কিছু কর্মকাণ্ড জনগণের জন্য চরম উদ্বেগের। তিনি দাবি করেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে এবং শিক্ষাঙ্গনে শিবিরের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি দুঃখজনক।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন। বিশেষ করে ছাত্র সংগঠনগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এর আগে সকাল ৯টায় একই স্থানে মহিলা জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সন্ধ্যায় জেলা ও উপজেলা শুরা সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন