যশোরের চৌগাছা উপজেলায় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে জুয়েল আহমেদ রানা (৪০) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর দুপুরে তার মৃত্যু হয়। নিহত জুয়েল মুক্তদাহ গ্রামের ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে সকালে মুক্তদাহ মোড়ে জুয়েল রানার সঙ্গে প্রতিপক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামের ছেলে বাবু, সুমন, ইউসুফ, কাশেমসহ আরও ১০–১২ জন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় জুয়েলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়, এতে তার দুই পায়ের হাঁটুর নিচ পর্যন্ত ভেঙে যায়।
আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোবাশ্বের হোসেন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী মায়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, সকালে তিনি তার মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ওই সময় তার স্বামী চা খেতে বাইরে যান। পরে হামলাকারীরা তাকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে তার স্বামীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মন্তব্য করুন