মাদকের বিরুদ্ধে সফল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারের স্বীকৃতিস্বরূপ নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের সদস্যদের অর্থ পুরস্কার প্রদান করেছেন নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন।
রোববার (২ আগস্ট) জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডিবির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল ইসলামসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেন পুলিশ সুপার।
এ সময় তিনি মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের চলমান অভিযান আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদক নির্মূলে দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের সাহসিকতা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের আরও উৎসাহিত করবে এবং দায়িত্ব পালনে অনুপ্রাণিত করবে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং একজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। অভিযানের এই সাফল্যকে জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী কার্যক্রমের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধে জেলা পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং এই নীতি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।”
পুলিশ সুপার আশা প্রকাশ করেন, জেলা গোয়েন্দা শাখাসহ নোয়াখালী জেলা পুলিশের সব ইউনিট একই নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে ভবিষ্যতেও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করবে। অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং মাদকমুক্ত নোয়াখালী গড়ে তুলতে এ ধরনের অভিযান আরও বেগবান করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নোয়াখালী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও একই দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে অব্যাহত থাকবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই জেলা পুলিশের প্রধান লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন