চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক হাত ও এক পা হারিয়ে দীর্ঘদিন মানবেতর জীবনযাপন শেষে মৃত্যুবরণকারী ইসরাফিলের রেখে যাওয়া চার কন্যাসন্তানের লেখাপড়ায় সহায়তার হাত বাড়িয়েছে সামাজিক সংগঠন ‘মানবতার বন্ধন, পটিয়া’।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ উপজেলার গুচ্ছগ্রামে ইসরাফিলের বাড়িতে গিয়ে তাঁর বড় মেয়ে ইয়াছমিন আক্তারের হাতে নগদ অর্থসহায়তা তুলে দেন। এ সময় তাঁরা পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতেও পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
অর্থসহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানবতার বন্ধন পটিয়ার সভাপতি ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শফিকুল আলম বশর, সিনিয়র সহসভাপতি ও স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল আলম সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সাঙ্গুর পটিয়া প্রতিনিধি আলমগীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক সূফি মোহাম্মদ রেজা, নির্বাহী সদস্য মঞ্জুরুল আলম এবং সাইফুল্লাহ আলম সায়েমসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সময় বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবতার বন্ধনের অন্যতম লক্ষ্য। ইসরাফিলের মৃত্যুর পর তাঁর চার কন্যাসন্তান অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি হয়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে যেন তাদের লেখাপড়া বন্ধ না হয়ে যায়, সে লক্ষ্যেই সংগঠনের পক্ষ থেকে এ অর্থসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, একটি শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব শুধু পরিবারের নয়, সমাজেরও। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ এগিয়ে এলে অসহায় পরিবারের সন্তানরাও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবে।
তাঁরা জানান, মানবতার বন্ধন ভবিষ্যতেও শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিভিন্ন মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে থেকে সমাজকল্যাণে কাজ করে যাবে সংগঠনটি।
এ সময় ইসরাফিলের পরিবারের সদস্যরা মানবতার বন্ধনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংগঠনটির এ মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
মন্তব্য করুন